বিদ’আত কাকে বলে?

0
21
বিদ'আত

বিদ’আত কাকে বলে তা আগে জেনে নেইঃ

“বিদ’আত বলা হয় দ্বীন ও ইবাদতের মধ্যে নতুন আবিষ্কৃত কাজকে। অর্থাৎ দ্বীন বা ইবাদত মনে করে করা এমন কাজকে বিদ’আত বলা হবে, যে কাজের কুর আন ও সহীহ সুন্নাহর দলীল নেই।

বিদ’আতের পরিণামঃ
“রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেনঃ “যে ব্যক্তি আমার এই দ্বীনে (নিজের পক্ষ থেকে) কোন নতুন কিছু উদ্ভাবন করল যা তার মধ্যে নেই, তা প্রত্যাখ্যান যোগ্য।
((বুখারী ও মুসলিম))
“নিশ্চয় প্রত্যেক বিদ’আত (নতুন আমল) হল ভ্রষ্টতা” ((আবু দাউদ,হা/৪৪৪৩, তিরমিযী,হা/২৮১৫, ইবনে মাজাহ,হা/৪২))
আর নাসাঈর এক বর্ণনায় আছে, “আর প্রত্যেক ভ্রষ্টতা জাহান্নামে(নিয়ে যায়).

ইবলিসের কাছে গোনাহ ও পাপাচারের চেয়ে বিদ’আত বেশি প্রিয়। কারণ, গোনাহে লিপ্ত ব্যক্তির তাওবা করার সম্ভাবনা আছে, কিন্তু বিদ’আতে লিপ্ত ব্যক্তির তাওবা করার সম্ভাবনা থাকে না।
((শাতেবী, আল-ইতিসাম,১/১১১-১১৯, সুয়ুতী, আল-আমরু বিল ইত্তিবা, পৃষ্ঠাঃ১৯))

“আল্লাহ তা’আলা কোনো বিদ’আতকারীর নামায, রোযা, হজ্ব, উমরা কবুল করবেন না, যতক্ষন না সে বিদ’আত পরিত্যাগ না করে।”((সুয়ুতী, আল-আমরু বিল ইত্তিবা,পৃষ্ঠাঃ১৮))

“কেউ একবার বিদ’আতে লিপ্ত হলে সে আর কখনো সুন্নাতের দিকে ফিরে আসতে পারে না।”((সুনানে দারেমী,মুকাদ্দিমা, ২০৮))

“যখন ই কোনো সম্প্রদায় একটি বিদ’আত উদ্ভাবন করে তখন ই আল্লাহ তাদের মধ্যে থেকে অনুরুপ সুন্নাত তুলে নেন, পরে কিয়ামত পর্যন্ত আর তাদের মধ্যে সে সুন্নাত ফিরিয়ে দেন না।”((সুনানে দারেমী,মুকাদ্দিমাঃ৯৮))

রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেনঃ “যে ব্যক্তি কোন বিদ’আতে সাহায্য করে, আল্লাহ পাক তাকে লানত করেন।”
((সহীহ মুসলিম))

রাসুলুল্লাহ(সাঃ) বলেনঃ “আল্লাহ বিদ’আতী ব্যক্তির নামায, রোজা, সাদাকা, হজ্জ, উমরা, জিহাদ, ফিদ ইয়া, ন্যায় বিচার ইত্যাদি কিছু ই কবুল করবেন না। সে ইসলাম থেকে এভাবে খারিজ হয়ে যাবে, যেরুপ আটা থেকে পশম পৃথক হয়ে যায়।”((ইবনে মাজাহ, ই, ফা, বা, ১ম খন্ড,হা/ ৪৯))

আরও পড়ুনঃ   হেরা পাহাড় ও তার গুহা

বলা বাহুল্য, নব আবিষ্কৃত পার্থিব কোন বিষয়কে বিদ’আত বলা যাবে না। যেমন শরীয়তে নিষিদ্ধ কোন কাজকে বিদ’আত বলা হয় না। বরং
তাকে অবৈধ, হারাম বা মাকরুহ বলা হয়।

Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

2 × two =